মুক্তারও যত্ন নিতে হয় !

  • প্রসাধণীর সাথে একত্রে রাখবেন না; মুক্তা অন্যান্য প্রসাধনীর সাথে রাখলে মুক্তার উজ্জ্বলতা কমে যায়।
  • কাপর ধুয়া বা গোসলের সময় মুক্তা পড়বেন না;সাবানের ক্ষারীয় উপাদান মুক্তার জন্যে ক্ষতিকারক।তাই মুতকা সাবানের সংষ্পর্শে আনবেন না।
  • রাসায়নিক গ্যাস থেকে দূরে রাখুন; উদাহারনসরূপ সালফাল,কিটনাশক এবং অন্যান্য স্প্রে থেকে ও অন্যান্য গহনা থেকে দূরে রাখুন।
  • অধিক তাপমাত্রায় ভ্রমনে মুক্তা পরবেন না: ঘামে থাকে ফ্যাটি এসিড, ইউরিয়া এবং অন্যান্য মুক্তা ক্ষয়কারি উপাদান।
  • একাধিক গহনা একসাথে পরিধান এড়িয়ে চলুন; মুক্তার উপর হীরা সহজেই দাগ ফেলতে পারে, তাই মুক্তার সাথে অন্য গহনা পড়বেন না ।
  • ঔষধ থেকে দুরে: কিছু ঔষধ মুক্তার সাথে রাসায়নিক ক্রিয়া করে থাকে, যার ফলশ্রুতিতে রং নষ্ট হওয়া বা ক্ষয় হতে পারে।
  • মুক্তা ধৌত করবেন না: মুক্তা, তুর্কি স্টোন, ক্যাটস্ আই স্টোন, কোরাল , এম্বার এবং অন্যান্য পাথর পানি দিয়ে মুছে ফেলবেন। কখনো সাবান দিয়ে ধৌত করবেন না। এতে পাথর ভংগুর হয়ে যাবে।
  • অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রাখবেন না: মুক্তা তাপ প্রতিরোধক নয়, তাই অতিরিক্ত তাপমাত্রায় মুক্তা শুষ্ক এবং ভংগুর হয়ে পরবে।
  • অতিরিক্ত ঝাঁকুনি দেওয়া যাবে না: যদিও পাথর খোঁচিত অলংকার গুলো মজবুত করে ডিজাইন করা হয়, তার পরেও অতিরিক্ত ঝাঁকুনি না দেওয়া উচিৎ। যেমন, দরজায় জোরে টোঁকা দেওয়া।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *